Text size A A A
Color C C C C
পাতা

প্রকল্প

(ক) আত্মকর্মসংস্থান প্রকল্পঃ - শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প স্থাপনের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল করবার লক্ষ্যে এই প্রকল্প গৃহীত হয়েছে৷ বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে এই প্রকল্পটি চালু আছে৷ ১৮ থেকে ৪০ বত্সর বয়সীদের মধ্যে যারা কমপক্ষে এস,এস, িস পাশ অথবা কারুশিল্পী তারাই এই ঋণ পাওয়ার যোগ্যতা রাখে৷ (খ) সর্বজনিন আয়োডিনযুক্ত লবণ প্রকল্পঃ - ভোজ্য লবণে আয়োডিন মিশ্রনের মাধ্যমে আয়োডিনের অভাব জনিত সমস্যা নিরসনে এই কার্যক্রম চালু আছে৷ (গ) দেশের উপকূলীয় জেলাসমুহে আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগের উন্নয়ন প্রকল্পঃ - বিসিক ১৯৭৭সাল থেকে মৌমাছি পালন বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু করে৷ এর মাধ্যমে মৌচাষ ও মধু উত্পাদন কার্যক্রম দেশের কৃষি উত্পাদনে মাধ্যমে মৌচাষ ইতিবাচক প্রভাব রাখছে৷ বর্তমান সরকার আরও আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে মৌয়াল ও মৌচাষীদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য যে প্রকল্প গ্রহণ করেছে তা বিসিকের মাধ্যমে বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে৷ (ঘ) বিসিক স্পেশাল ইকনোমিকজোন(টেক্সটাইল), কুমারখালী, কুষ্টিয়াঃ - কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলায় তাঁত শিল্পের জন্য একটি স্পেশাল ইকনোমিক জোন স্থাপনের লক্ষ্যে “বিসিক স্পেশাল ইকনোমিক জোন(টেক্সটাইল), কুমারখালী, কুষ্টিয়া” শীর্ষক প্রকল্পটি গ্রহণ করেছে৷ ১০ একর জমির উপর স্থাপিতব্য এই প্রকল্পের অনুমোদিত মোট ব্যয় ৮.২০ কোটি টাকা ৷ (ঙ) বিসিক শিল্প নগরী বরগুনাঃ - ভারসাম্যপূর্ণ আঞ্চলিক উন্নয়নের লক্ষ্যে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের নিমিত্তে “বিসিক শিল্প নগরী,বরগুনা” শীর্ষক প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে৷ প্রকল্পের অনুমোদিত মোট ব্যয় ৭.০৮ কোটি টাকা ৷ মোট ১০.২০ একর জমিতে এ শিল্প নগরীটি বাস্তবায়িত হবে৷ উক্ত শিল্প নগরীতে ৬১টি শিল্প প্লটে ৬১টি ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্প স্থাপিত হবে এবং প্রায় ২২০০ জন লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে৷ (চ) সাব-কণ্ট্রাকটিং কর্মকাণ্ডঃ - ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের সঙ্গে বৃহত্ ও মাঝারী শিল্পের মধ্যে সাব-কণ্ট্রাকটিং বা যোগসূত্র স্থাপনের লক্ষ্যে বিসিক সাব-কণ্ট্রাকটিং উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ করছে৷ আধুনিক প্রযুক্তি ও অন্যান্য কারিগরী সহায়তা সহ স্থানীয়ভাবে যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ উত্পাদন,অধিক আমদানী নির্ভরতা কমিয়ে বৈদেশিক মূদ্রার সাশ্রয় এবং স্থানীয় মেধা কাজে লাগিয়ে সার্বিক উন্নয়নই এই কর্মসূচীর মূল উদ্দেশ্য৷ (ছ) আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দারিদ্র বিমোচন প্রকল্পঃ - দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠির আয় বৃদ্ধি ও আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন এবং উত্পাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ছিল৷ বিগত ১৯৯৫ইং সালে প্রকল্পটি শুরু হয়ে সমাপ্ত হয়েছে ২০০৪ সালে৷ (জ) গ্রামীণ শিল্প উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতি তেজিকরণ প্রকল্পঃ- দেশের গ্রামীণ জনগোষ্ঠির আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে গ্রামীণ শিল্প উন্নয়ন এবং উত্পাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের গ্রামীণ অর্থনীতি তেজিকরণ করাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ছিল৷ বিগত ১৯৯৯ইং সালে প্রকল্পটি শুরু হয়ে সমাপ্ত হয়েছে ২০০৪ সালে৷ (ঝ) মহিলা শিল্প উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচীঃ -মহিলা শিল্প উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচী(উইডিপি) বিসিকের একটি ব্যতিক্রমধর্মী উন্নয়নমূলক প্রকল্প৷ দেশের গ্রামীণ এলাকার দরিদ্র মহিলাদের উত্পাদনমূখী কর্মকাণ্ডে নিয়োজিত করে উপার্জনক্ষম ও আত্মনির্ভনশীল করে গড়ে তোলা এবং সামাজিক ও পারিবারিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত করাই ছিল এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য৷ বিগত ১৯৮২ইং সালে প্রকল্পটি শুরু হয়ে সমাপ্ত হয়েছে ২০০৪ সালে৷ এই প্রকল্পের মাধ্যমে সুবিধা-বঞ্চিত অনেক নারী ঋণ প্রাপ্ত হয়ে কুটির শিল্প স্থাপন পূর্বক স্বাবলম্বী হয়েছেন৷ (ঞ) খুলনা-সাতক্ষীরা অঞ্চলে লবণ শিল্পের উন্নয়ন প্রকল্পঃ - লবণ উত্পাদনে দেশকে স্বয়ং সম্পূর্ণ করা এবং আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে এতদঞ্চলে লবণ উত্পাদন ও লবণ চাষিদের জন্য লবণের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে খুলনা-সাতক্ষীরা অঞ্চলে লবণ শিল্পের উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্প গ্রহণ করা হয়৷ প্রকল্পটি বিগত ২০১০ সালে সমাপ্ত হয়৷ প্রকল্পের সাফল্যের কারনে তা পুনরায় চালু করার বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে ৷ (ট) বিসিক শিল্পনগরী ঝালকাঠী : ১১.১০ একর এর উপর স্থাপিতব্য এ প্রকল্পটির ব্যয় হবে ১৫.২৫ কোটি টাকা।

 

বিঃদ্রঃ- ক্রমিক নম্বর ‘ছ’, ‘জ’ এবং ‘ঝ’ তে উ্লেখিত সমাপ্ত প্রকল্প গুলি যথাক্রমে আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দারিদ্র বিমোচন প্রকল্প, গ্রামীণ শিল্প উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতি তেজিকরণ প্রকল্প, মহিলা শিল্প উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রকল্প সমন্বয়ে একটি পৃথক ট্রাষ্টি বোর্ড গঠন করা হয়েছে ।